1. fazlulhaquue@gmail.com : smtvbd :
  2. joymistry533@gmail.com : Admin : Admin
  3. webmaster309@gmail.com : webmaster30 :
  4. webmaster5213@yahoo.com : webmaster52 :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ইন্টারন্যাশনাল প্রেসক্লাবের ‘জগৎশ্রী সম্মান’ পেল কলকাতার স্বাধীনতা দিবস উৎসব উদযাপন সমিতি… চুয়াডাঙ্গায় সারের ৪৫ ডিলারের মধ্যে ৪২ জনই দলীয় লোক, অভিযোগ দুই এমপির রংপুরের এক কারখানা এবার বিশ্বের সেরা নতুন ভবন ভারত-পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য নিয়ে যা বললেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁদাবাজির সঙ্গে আমার ছেলে জড়িত থাকলেও যেন ছাড় না দেয় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার, আলোচনায় যে কারণ ‘ভারতবিরোধী রাবণে’র পোস্টারে ড. ইউনূসের ছবি, রাহুল–মাস্কসহ আছেন আরও যারা কৃষিঋণের ৪২% খেলাপি যুক্তরাষ্ট্রের চাপে অর্থসংকটে পড়ছে কি ইরানের সামরিক বাহিনী অস্বস্তিকর পদত্যাগ

ঘোষবাড়ির পূজা দেখতে ঢাকা থেকে বিক্রমপুরে

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৪ Time View
66

জাতীয় ডেস্ক: বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা কেবল দেবীর আরাধনা নয়, বরং এটি স্বজন ও আপনজনদের মিলনমেলার এক সুমহান উপলক্ষ। মুন্সিগঞ্জের বালাশুরের নাগরনন্দী ঘোষবাড়িতে আয়োজিত দুর্গাপূজাটি সময়ের পরিক্রমায় কেবল একটি পারিবারিক আয়োজন থেকে রূপ নিয়েছে বৃহত্তর সামাজিক উৎসবে। পেশাগত বা অন্যান্য ব্যস্ততায় সারা বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা পরিবারের ১৪টি শাখার সদস্যরা এই পূজার কটি দিন এক ছাদের নিচে মিলিত হন। বড়দের সান্নিধ্য ও ছোটদের পদচারণায় মুখরিত এই পুরোনো বাড়িটি হয়ে ওঠে আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের এক পরম মিলনায়তন।

পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক দূরত্ব কমিয়ে শেকড়ের টান টিকিয়ে রাখার মহৎ উদ্দেশ্যে ২০১৫ সালে এই সুসংগঠিত পারিবারিক পূজার যাত্রা শুরু হয়েছিল। শুরুতে ছোট পরিসরে শুরু হলেও পরবর্তী সময়ে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এর পরিধি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। করোনা মহামারি কিংবা বিভিন্ন সময়ের প্রতিকূল পরিস্থিতিও এই ঐতিহ্যবাহী আয়োজন থমাতে পারেনি। পরিবারের সদস্য ও উদ্যোক্তাদের নিরলস শ্রম এবং আর্থিক সহযোগিতায় বর্তমানে এই পূজার বাজেট প্রায় ২৫ লাখ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। এছাড়া স্থানীয় মুসলিম প্রতিবেশী ও শুভানুধ্যায়ীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই উৎসবকে দিয়েছে এক অসাম্প্রদায়িক ও সার্বজনীন রূপ।

এবারের পূজামণ্ডপের মূল থিম বা ভাবনার কেন্দ্রে রাখা হয়েছে অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক ‘সম্প্রীতির বাংলাদেশ’। মণ্ডপ চত্বরে মসজিদ, মন্দির ও গির্জার প্রতীকী উপস্থাপনার মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের জোরালো বার্তা তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিমার সাজসজ্জা এবং অলংকারাদি বিশেষভাবে সংগ্রহ করা হয় কলকাতার ঐতিহ্যবাহী কুমারটুলি থেকে, যা এই আয়োজনে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। প্রতিবছর মুন্সিগঞ্জ সদর ছাড়াও পদ্মার এপারের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার হাজার দর্শনার্থী এই মনোমুগ্ধকর পূজা ও মণ্ডপ পরিদর্শনে ছুটে আসেন।

পূজার আনন্দকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয় এর ঐতিহ্যবাহী প্রসাদ বিতরণ ও সামাজিক ভোজের আয়োজন। ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত চলা এই উৎসবে প্রতিদিন প্রায় ১৫ থেকে ১৬ হাজার ভক্ত ও আগত অতিথির জন্য মহাভোজ ও প্রসাদের ব্যবস্থা করা হয়। ভুনা খিচুড়ি, বিভিন্ন পদের মিষ্টি, নাড়ু, মোয়া এবং ফলমূলের সুস্বাদু আয়োজনে অংশ নেন সর্বস্তরের মানুষ। বয়োজ্যেষ্ঠদের তত্ত্বাবধানে পরিবারের নারী সদস্য ও তরুণ প্রজন্ম সম্মিলিতভাবে নাড়ু তৈরি থেকে শুরু করে পূজার সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন, যা নতুন প্রজন্মের মধ্যে পারিবারিক ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বীজ বপন করে চলেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
Themes By ShimantoIT.com